বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খানের সৎভাই হায়দার আলির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন তার সাবেক স্ত্রী অভিনেত্রী ইভা গ্রোভার। এর আগেও আমিরের সৎভাইকে নিয়ে নানা অভিযোগ আনেন তিনি। এবার ইভার অভিযোগ গুরুতর।
আমিরের সৎভাই হায়দারের বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ তার সাবেক স্ত্রী অভিনেত্রী ইভা গ্রোভারের। সম্প্রতি হায়দার আলিকে নিয়ে একটি পডকাস্টে নানা অভিযোগ এনেছেন সাবেক হায়দারপত্নী।
ইভার ক্যারিয়ার যখন ছিল তুঙ্গে, একের পর এক হিট ধারাবাহিকে কাজ করছিলেন, সেই সময় হায়দার আলির প্রেমে পড়েন তিনি। অভিনেত্রীর মা আপত্তি জানিয়েছিলেন, তবে কথা শোনেননি অভিনেত্রী।
ইভা গ্রোভার বলেন, মাত্র ১৮ দিনের প্রেম। মানুষটাকে ভালো করে চেনাজানার আগেই বিয়ে করে ফেলি। প্রেমের ১৯তম দিনে আমি ওর সঙ্গে পালিয়ে যাই। সেই সময় আমার ক্যারিয়ার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। আমাদের ধর্মও আলাদা। কিন্তু সেসব না ভেবেই বিয়ে করে ফেলি। কিন্তু তারপরই অন্য রূপ দেখেন হায়দার আলির। পরপুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার জন্য নাকি তাকে চাপ দিতেন হায়দার।
অভিনেত্রী বলেন, পরিচালক-প্রযোজকদের সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে কাজ করতে হতো। আমাকে ভীষণ চাপ দিত, আমি যদি ওদের খুশি করতে পারি, তাহলেই একমাত্র ও কাজ পাবে। অন্যথায় বেকারত্বের জীবন কাটাতে হবে।
তার কাজের অভাব হয়নি কখনো। কিন্তু হায়দারকে বিয়ে করে সব সঞ্চয় নষ্ট হয়ে যায়। বাড়ি-গাড়ি— সব বিক্রি করে দেন ইভা সংসার চালাতে গিয়ে। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয়, হায়দার তাকে ‘বিক্রি করতে’ দ্বিধাবোধ করেননি।
ইভা গ্রোভার বলেন, হায়দার বলেছিল— আমাকে সন্তানের জন্য, বাড়ির বিদ্যুতের বিল মেটানোর জন্য অন্যের শয্যাসঙ্গিনী হতেই হবে। তারপর আর অপেক্ষা করিনি, আর পেছন ফিরে পর্যন্ত তাকাইনি।
উল্লেখ্য, ইভা গ্রোভার ও হায়দার আলি দম্পতির বিয়ের পাঁচ বছরের মাথায় ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।


